বিশেষ প্রতিনিধি | উত্তরা, ঢাকা
রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে জীবন বাজি রেখে লড়ে যাওয়া পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা অপু শিকদারের সুদৃঢ় নেতৃত্বে উত্তরা পূর্ব থানা যুবদল আজ রাজপথে সুসংগঠিত ও সমুজ্জ্বল। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী তীব্র আন্দোলন থেকে শুরু করে দলীয় সব কর্মসূচিতে তিনি ছিলেন সামনের সারির বীর সেনানী। শত নির্যাতন ও দমন-পীড়নের মাঝেও রাজপথ ছাড়েননি এই তৃণমূলবান্ধব নেতা।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে অপু শিকদারের অবদান অনস্বীকার্য। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শত মামলা, হামলা, জেল-জুলুম ও চরম পুলিশি হয়রানি উপেক্ষা করে দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন তিনি। পরিবার-পরিজনকে আড়ালে রেখে দলের প্রতি তার এই আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠা আজ উত্তরা পূর্ব থানা যুবদলের সাধারণ কর্মীদের কাছে অনুকরণীয় ও অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অপু শিকদার কেবল একজন দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, তিনি উত্তরার এক প্রাচীন ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। সামাজিক ও বংশগত মর্যাদায় এই অঞ্চলে তার পরিবারের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও সুনাম রয়েছে। রাজনীতিতে পদ-পদবির চেয়ে দলের আদর্শ ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকেই তিনি সবসময় প্রাধান্য দিয়েছেন।
সম্প্রতি ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের বিজয়ে নেপথ্যে থেকে দিনরাত পরিশ্রম করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন অপু শিকদার। নির্বাচনকালীন প্রতিটি প্রচার-প্রচারণা ও বুথ ব্যবস্থাপনায় তার সাংগঠনিক দক্ষতা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
অপু শিকদারের অন্যতম বড় গুণ হচ্ছে তার ‘ক্লিন ইমেজ’ বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি। বর্তমান রাজনীতির পেক্ষাপটে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা সন্ত্রাসের মতো কোনো অপ্রীতিকর অভিযোগ নেই। সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল, বিনয়ী ও প্রাণোচ্ছল স্বভাবের কারণে দল-মত নির্বিশেষে উত্তরার সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এক মুখ।
উত্তরা পূর্ব থানা যুবদলের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের মতে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও ত্যাগী নেতৃত্বের কারণেই অপু শিকদার আজ নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক। তার মতো সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বই আগামী দিনে রাজপথ এবং জাতীয় রাজনীতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেবে বলে বিশ্বাস করেন তারা।